রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চার বিভাগের ২৬ কৃতী শিক্ষার্থীকে ‘প্রফেসর এ বি এম হোসেন ও শাহানারা হোসেন ফাউন্ডেশন বৃত্তি’ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন-১-এর কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে বৃত্তির চেক ও সনদপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ ও বৃত্তির পৃষ্ঠপোষক রাবির ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষক ড. মঈন হোসেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
২০২১ সালের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক শীর্ষস্থান অধিকারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মোছা. শ্রাবণী আক্তার, মো. রহমত উল্লাহ ও মোরশেদ আলম; ইতিহাস বিভাগের সুবাইসতা নাইমি, ফারহানা কিবরিয়া ও মোছা. উম্মে রশিদা; অর্থনীতি বিভাগের মিজানুর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন ও মো. মওদুদ হাসান সৈকত এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের রোকেয়া আলম শানু, আন্না কারানিনা ও বসির রায়হান মনি।
২০২২ সালের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক শীর্ষস্থান অধিকারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের জোহরা আকতার, ফাহমিদা আকতার, তানজিন সরকার ও মোছা. খাদিজা খানম; ইতিহাস বিভাগের খালিদ হাসান, মো. মাসুদ আল আরফিন, মো. রায়হান নবিউল রনি ও মোছা. কানিজ ফাতেমা; অর্থনীতি বিভাগের মো. হামদুল ইসলাম, মোছা. অনু খাতুন ও মো. ইকবাল হাসান এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের জুই খাতুন, তামান্না ইয়াসিন ও সাউদা আকতার নাতাশা।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, 'মেধার মূল্যায়ন না হলে মেধা চর্চা অনুপ্রাণিত হয় না। তাই এই বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শুধু কৃতী শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করা হলো তাই নয়, নবীনদেরও মেধা বিকাশে অনুপ্রাণিত করা হলো।' এছাড়াও তিনি মেধার বিকাশ ও লালনকে উৎসাহিত করার জন্য তিনি সামর্থবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বৃত্তি, পদক ও পুরস্কার প্রদানের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বৃত্তির পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. মঈন হোসেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক দিলশাদ আরা বুলু, ইতিহাস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. শেরেজ্জামান, অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. ইলিয়াছ হোসেন, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ইউনুস আহমদ খান এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ এইচ এম আসলাম হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক এ এইচ এম খুরশীদ আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।
প্রসঙ্গত, ড. এ বি এম হোসেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং ড. শাহানারা হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ছিলেন। তাঁরা দুজনই প্রয়াত।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন-১-এর কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে বৃত্তির চেক ও সনদপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ ও বৃত্তির পৃষ্ঠপোষক রাবির ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষক ড. মঈন হোসেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
২০২১ সালের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক শীর্ষস্থান অধিকারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মোছা. শ্রাবণী আক্তার, মো. রহমত উল্লাহ ও মোরশেদ আলম; ইতিহাস বিভাগের সুবাইসতা নাইমি, ফারহানা কিবরিয়া ও মোছা. উম্মে রশিদা; অর্থনীতি বিভাগের মিজানুর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন ও মো. মওদুদ হাসান সৈকত এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের রোকেয়া আলম শানু, আন্না কারানিনা ও বসির রায়হান মনি।
২০২২ সালের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক শীর্ষস্থান অধিকারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের জোহরা আকতার, ফাহমিদা আকতার, তানজিন সরকার ও মোছা. খাদিজা খানম; ইতিহাস বিভাগের খালিদ হাসান, মো. মাসুদ আল আরফিন, মো. রায়হান নবিউল রনি ও মোছা. কানিজ ফাতেমা; অর্থনীতি বিভাগের মো. হামদুল ইসলাম, মোছা. অনু খাতুন ও মো. ইকবাল হাসান এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের জুই খাতুন, তামান্না ইয়াসিন ও সাউদা আকতার নাতাশা।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, 'মেধার মূল্যায়ন না হলে মেধা চর্চা অনুপ্রাণিত হয় না। তাই এই বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শুধু কৃতী শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করা হলো তাই নয়, নবীনদেরও মেধা বিকাশে অনুপ্রাণিত করা হলো।' এছাড়াও তিনি মেধার বিকাশ ও লালনকে উৎসাহিত করার জন্য তিনি সামর্থবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বৃত্তি, পদক ও পুরস্কার প্রদানের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বৃত্তির পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. মঈন হোসেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক দিলশাদ আরা বুলু, ইতিহাস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. শেরেজ্জামান, অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. ইলিয়াছ হোসেন, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ইউনুস আহমদ খান এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ এইচ এম আসলাম হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক এ এইচ এম খুরশীদ আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।
প্রসঙ্গত, ড. এ বি এম হোসেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং ড. শাহানারা হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ছিলেন। তাঁরা দুজনই প্রয়াত।
মোসাঃ মিতু খাতুন